প্রেম, ভালোবাসা ও বিয়ে : বৈধ নাকি অবৈধ?

আসসালামু আলাইকুম, আপনাদের সবার জন্য  নিয়ে আসলাম আমার আর্কাইভ থেকে একটা পছন্দের পোষ্ট। এটি ১ম পর্ব। আজকের বিষয়- প্রেম, ভালোবাসা ও বিবাহ, বৈধ অবৈধ ও তাঁর  সমাধান।     

এক/
ভালবাসা মানে কেউ মনে করেন একটা মেয়েকে বাবা মা এর অগোচরে পছন্দ করা, তার পিছনে কয়েক বছর সময় ব্যয় করা, তাকে বিয়ে করা, সুখে বাস করা | ভাল কথা | কিন্তু আপনি কি পরখ করে দেখেছেন কতজন ই তো প্রেম করে বিয়ে করে তারা সবাই সুখি হতে পেরেছে কিনা? আমি দেখেছি, অনেক এরকম দম্পতি যারা কমপক্ষে দশটি ক্ষতির সম্মুখিন হয়, যথা: ধর্ম অমান্য, মা বাবার অমতে জোর করে বিয়ে, বিয়ের পর ভাল না লাগা, ঝগড়া  , বউয়ের বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার চাপ, ছাড়াছাড়ি, নেশা, স্ত্রী হত্যা, স্বামীর নামে মামলা করা | এগুলা এ রকম মেয়ের ভালবাসার ফলাফল |

দুই/
আবার যারা মনে করেন ভালবাসা মানে মানবতা বা মানুষকে ভালবাসা , এরা সঠিক কাজ করেন ও প্রথম প্রকারের মত ব্যার্থতা ও কষ্ট পোহান না বরং জীবনে সর্বক্ষেত্রে সফল হন, মানব প্রেমে নিজেকে বিলিয়ে অমর হয়ে থাকেন ইতিহাসের পাতায়, যেমন: কাজী নজরুল ইসলাম, তিতুমীর, ইবনে সিনা, আল বেরুনী, আইনস্টাইন,  | বলে শেষ করা যাবেনা | মজার বিষয়, যারা ভালবাসা বলতে মানব প্রেম বোঝেন এদের ভেতর মেয়ে প্রেম পাওয়া যায়না ও এই ভালবাসা ইসলামের নির্দেশ, এরা ভালবাসা বলতে মা বাবা ভাই বোনের ভালবাসা বোঝেন, স্ত্রীর ভালোবাসা ও দেশের ভালোবাসা বোঝেন।

তিন/
এটা এমন এক প্রকার ভালবাসা যাকে বলে প্রকৃত ভালবাসা, কথায় আছে ভালবাসা স্বর্গ থেকে আগত, এটাই সেই ভালবাসা কিন্তু অনেকে এটাকে এক নাম্বারে যা বলেছি সেখানে নিয়ে যায়, যা মোটেও উচিত নয় ..

. . .এই ভালবাসা হলো আল্লাহকে ভালবাসা. দুনিয়ার কারো প্রতি টান  থাকলে সেই কারণ টা হবে “আমি ও নামাজী, সেও নামাজী তাই তাঁর প্রতি টান। আমি ও রোজাদার, সেও রোজাদার তাই তাঁর প্রতি টান” এরকম হবে,  কাউকে ভালোবাসলে আল্লাহর কারনেই ভালোবাসা। এটা বলেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

তাই কেউ নিজকে মুসলিম দাবি করলে তার সেইটা করা উচিত যেই প্রকার টা রাসুল [সঃ] করে দেখিয়েছেন, রাসুল [সঃ]  কে মুখে দাবি করি যে ভালোবাসি, কিন্তু কাজ একটাও তাঁর মত করিনা, এটা মেকি ভালোবাসা। এটা আবু তালিবের মত ভালোবাসা।আর সবাই ই জানেন আবু তালিবের সেই ভালোবাসা গ্রহনীয় নয়। অনুসরণ ও অনুকরণ ই ভালোবাসার দাবি -এটাই বাস্তব। কারণ এতেই পাওয়া যায় আল্লাহর ভালবাসা  . নিজের, পরিবারের, সমাজের ও রাস্ট্রের সকল কাজের মডেল যিনি। সব কাজের নিয়ম যিনি বলে গেছেন, যেমন তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে পানি খাবেন? ডান হাতে ধরে, বসে, তিন নিস্বাসে,পাত্রের  ভিতরে নিশ্বাস ফেলা যাবেনা, বিসমিল্লাহ বলে খাবেন, খেয়ে শেষে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করবেন। আজ  বিজ্ঞান বলছে মানুষের নিশ্বাসে এক প্রকার গ্যাস থাকে কার্বন ডাই অক্সাইড যা ক্ষতিকর , পাত্রে পড়লে ক্ষতি হয়,. . . . . . . অতএব বুঝতেই পারছেন ইসলাম আমাদের তাই নিষেধ করেছে যা ক্ষতিকর, আর তাই উপদেশ দিয়েছে যা আমাদের জন্য উপকারী।

বিবেক কে প্রশ্ন করুন, ইসলামের বাইরে গিয়ে নিজের ক্ষতি করে সব হারাবেন? নাকি রাসুল [সঃ] এর দেখানো পথে চলে সফল ও সুখী হবেন? 

সাজেশন: সূলভ মূল্যে একটি ইসলামিক বই কিনতে  এখানে ক্লিক করুন।  

Please put your valuable comment here (Leave a Reply)

%d bloggers like this: